বইয়ের বিবরণে ফিরে যান প্রতিবেদন পর্যালোচনা

পাগলী চাঁদ

ভালোবাসার বিচ্ছেদে জর্জরিত এক পাগলি চাঁদ,

ছিন্নভিন্ন মেঘকম্বল গায়ে, কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের রাতে

একটু উষ্ণতা পাবার আশায়, জাপটে ধরে,

স্ট্রীট লাইটের ধোঁয়াশা আলো।


একসময় পাগলিটি গাছ রোপন করেছিলে 

তার সমস্ত অঙ্গে, 

সেই গাছের প্রতিটি ডগায় পরিমাপ মতন 

ফোলেছিল আপেল কিংবা হরিতকী.....

যা আজও পাতা ঝরা বসন্তের 

জলপাই পাতার মতো লাল, হলুদ, সবুজ, রঙের অবহেলিত অঙ্গ মাটিতে পড়ে থাকে।

কত জোৎস্না সেই অঙ্গের প্রতিটি শাখা-প্রশাখায় আনাছে-কানাচে আলো দিতে চেয়েছিল।

তার খবর এখন কেউ আর রাখে না.........


দূর থেকে শোনা যায় ঘাসের ডগায় লেগে থাকা শিশির বিন্দুর মত পুলিশী হুইসেল.....

অথচ এ শীতের রাতে কত আরম্ভরে গোটা তিনেক ছোকরা হুইস্কির উল্লাসে ঐ কুয়াশা ভরা চাঁদকে জড়িয়ে দৈহিক প্রেমের উল্লাসের ফন্দি আটছে......

পুলিশি হুইসেল ক্ষীণ থেকে আরও ক্ষীণ হয়ে

তারপর মিলিয়ে গেল নির্ঝুম রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা কংক্রিটের দেওয়ালে।


স্ট্রিট লাইটের ধোঁয়াশা আলো গুলো লজ্জায় চোখ বন্ধ করছে আবার খুলছে.....

ধোঁয়াশার জোৎস্নায় সেই তিন মাতাল বাঁটোয়ারা করে নিল সেই পাগলি চাঁদকে।

সেই দুঃখী চাঁদের বুক ফাটে ঝরা কান্নার শব্দ

কেউ শুনতে পাইনি....

মনে হয় এই কনকনে শীতের রাত গুলোতে

ঝরে যাওয়া শিশির বিন্দু গুলোর মধ্যেই 

মিশে আছে সেইসব নোনা জলের সাদ।


পর্যালোচনা


আপনার রেটিং

blank-star-rating

বামদিকের মেনু