বইয়ের বিবরণে ফিরে যান প্রতিবেদন পর্যালোচনা

প্রত্যাবর্তন



কাজ থেকে ফিরে অচিন্ত‍্য‍ দেখে মা ঘরের সামনের রাস্তায় বসে একা একা বিড়বিড় করে কি সব যেন বলে চলেছে!!


অচিন্ত‍্য‍ তখন বিধ্বস্ত। সারাদিন গাড়ি চালিয়ে ভীষণ ক্লান্ত সে। মালিকের গ্যারেজে গাড়ি রেখে ঘরে ফিরছে সবে। সকাল থেকে পেটে শুধু মাত্র একটা কেক আর সরকারি কলের জল ছাড়া আর কিছুই নেই। নাড়িভুঁড়িও শুকিয়ে যাওয়ার জোগাড়।


মাকে বাইরে বসে থাকতে দেখে তার বুঝতে বাকি থাকলো না, যে কি ঘটেছে। সারাদিন এমন গাধার খাটুনি খেটে বাড়ি ফিরে প্রায় দিনই এই এক ঝামেলাতে তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছে সে।


নাহ এভাবে আর চলা যায়না। কিছু একটা করতেই হবে। এই পরিস্থিতি আর নেওয়া যাচ্ছে না।

মার কাছে না গিয়ে দূরে দাঁড়িয়েই সে তার মালিককে ফোন করলো।

--"হ্যালো স্যার, আমি দু'দিন আসতে পারবোনা কাজে।"

তার মালিকেরও ব্যাপার টা বুঝতে দেরি হলো না। বলল...

--"আচ্ছা বুঝেছি, আবার মাকে নিয়ে প্রবলেম তো? আবার ঘর পাল্টাতে হবে তোমাকে??"


--হ্যাঁ স্যার... এরকমই তো মনে হচ্ছে। দেখা যাক কি হয়! পরে আবার আপনাকে জানাচ্ছি" বলে ফোন কেটে দিলো।


ধীর পায়ে এবার মা'র দিকে এগোলো সে। তাকে দেখে মা আরো জোরে চিৎকার করতে শুরু করলো। আওয়াজ জোরে হওয়ায় ঘরের মালিক বুঝতে পারলো অচিন্ত‍্য‍ এসে গেছে। মালিক বেরিয়ে এসে বলতে লাগলো..."আর না, অনেক হয়েছে অচিন্ত্য বাবু, আপনি আলাদা ঘর দেখুন। আপনার মায়ের অত্যাচার আর সহ্য করা যাচ্ছে না। আপনার মুখের দিকে তাকিয়ে আমার ঘরের জিনিস গুলো বাইরে ফেলে দিইনি। তবে আর না এখনই বেরিয়ে যান, চার পাশের সবাই আমাকে যা নয় তাই বলছে।"


অচিন্ত‍্য‍ আমতা আমতা করে বললো "দয়া করে আজকের রাতটুকু থাকতে দিন। কাল সকাল হলেই আমরা আপনার ঘর ছেড়ে দেবো।"


--"না আমি দুঃখিত...কোনো মতেই আর পারলাম না। সারাদিন ধরে প্রায় দিনই এই এক অত্যাচার আর নেওয়া যাচ্ছে না মশাই। দয়া করে আপনি আপনার মা কে নিয়ে বেরিয়ে যান এখনই। নাহলে আমি পুলিশ ডাকতে বাধ্য হবো।"


--"প্লিজ একটু বোঝার চেষ্টা করুন, এই এত রাতে আমি মা কে নিয়ে কোথায় যাবো? শুধু রাত টুকু...."


--"না আর এক মুহূর্তও নয়। নিন আপনার অ্যাডভান্স এর টাকা। এর মধ্যে পুরোটাই আছে। ঘরে অনেক জিনিস নষ্ট হয়েছে, আপনার মা অনেক কিছু ভাঙচুর করেছেন, তাও কোনো টাকা কাটলাম না। কিছু মনে করবেন না, এর চেয়ে বেশি কিছু করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আপনি এখনই আমার ঘর খালি করে দিন।"


টাকাটা নিয়ে মাথা নিচু করে অচিন্ত‍্য‍ মা'কে দু'চার কথা শুনিয়ে, ভিজে চোখে ঘরের জিনিস পত্র বাইরে বার করতে যাবে, এমন সময় পাশের ঘর থেকে বাড়ির মালিকের বৌ এর গলা এলো।


"অচিন্ত‍্য‍ বাবা, আজকের রাতে তোমাদের চলে যেতে হবেনা। আজকের রাতটুকু এখানেই থাকো। কিন্তু কাল সকালে অন্য ঘরের ব্যবস্থা করে, বেলা বারোটার মধ্যে এই ঘর খালি করে দিও। কিছু মনে করো না বাবা। আমাদেরও পাড়া প্রতিবেশী নিয়ে থাকতে হয়। প্রতিদিন এমন গালিগালাজ কেই বা সহ্য করবে বলো!!"


অচিন্ত‍্য‍ যেন আকাশ পেলো...করুন গলায় ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে...মা কে ঘরে নিয়ে আসলো গজগজ করতে করতে।

রাতে আর কিছু খেলো না। মাথা তার আর কাজ করছে না...আবার কোথায় ঘর দেখবে, কোথায় ঘর পাবে, সেই চিন্তাতে মাথা যেন যন্ত্রনায় ফেটে যাচ্ছে।


এক গ্লাস জল খেয়ে, চোখে মুখে জল দিয়ে, সারাদিনের ঘেমো জামা খুলে, একটা লুঙ্গি পরে যখন সে শুয়ে পড়লো, তার মা তখনো এক নাগাড়ে বিড়বিড় করে কাকে যেন গালাগালি দিয়ে চলেছে....যদিও গলার আওয়াজটা ভীষণ আস্তে, নিচু গলায়...তবুও অচিন্ত্য শুনতে পাচ্ছিলো। সে কোনো দিকে ভ্রূক্ষেপ না করে, পাস ফিরে চোখ বন্ধ করে শুয়ে পড়লো। মনে মনে ভাবলো যখন মন হবে মা নিজেই তার পাশে এসে শুয়ে পড়বে।


অনেক কিছু ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত শরীরে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছে অচিন্ত‍্য‍, সেটা আর খেয়াল নেই।

ঘুম ভাঙলো তার মায়ের চিৎকার শুনে। সমানে কাকে যেন উদ্দেশ্য করে একটানা চিৎকার করছে আর ঘরের সব জিনিসপত্র ছুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলে চলেছে।


অচিন্ত‍্য‍ বিরক্ত হয়ে মাকে জোরে ধমক দিয়ে বললো "তুমি কি কিছুই বোঝোনা মা...আর কত দিন এমন করবে বলো তো..."


মনে মনে ভাবে, আজকে একটা ব্যবস্থা করেই ছাড়বো। হয় তুমি থাকবে নয় আমি...


এই ভেবে দ্রুত পায়ে বেরিয়ে গেলো সে বাড়ি থেকে। অনেক কষ্ট করে একটা ঘরের ব্যবস্থা করে যখন সে ফিরে আসলো তখন প্রায় দুপুর। তবে এবার যে বাড়িটা সে ভাড়া নিয়েছে সেটা তার একার জন্য। মায়ের জন্য মনে মনে একটা অন্য ব্যবস্থা সে করে রেখেছে।

 

বেশ কিছুক্ষন পরে একটা ভ্যানে করে সব জিনিস পত্র সদ্য ঠিক করে আসা অন্য বাসায় নিয়ে গেলো।

তারপরে এসে মা'কে নিয়ে চললো হাওড়া স্টেশনে। 

মনে মনে সে ঠিক করেছে যেকোনো একটা দূরপাল্লা ট্রেনে মা কে তুলে দিয়ে সে ফিরে আসবে...না সত্যিই আর পারা যাচ্ছে না, এর থেকে নিস্তার পেতে গেলে এইটাই এক মাত্র উপায়। না হলে এভাবে সে কতদিনই বা সব মুখ বুজে সহ্য করবে!


চিন্তা মতো সবই ঠিক হলো....মা কে মিথ্যা করে বললো-- "মা এখানে ঘরের কোনো ব্যবস্থা করা যায়নি, তাই এক বন্ধুর বাড়িতে যাবো। ওখানেই থাকবো।"

আর তোমার দুটো পায়ে ধরি মা, তুমি দয়া করে আমার দিকটাও ভাবো। আমিও তো মানুষ! এভাবে কি করে চলবো বলো! দয়া করে একটু বোঝো...

 

আরো কিছু কথা বলতে বলতে মাকে একটা দূরপাল্লার ট্রেনে বসিয়ে বললো-- "তুমি বসো, আর এইখানে কাউকে বসতে দিয়ো না, আমি একটা জলের বোতল আর কিছু খাবার কিনে আনি।" বলে অচিন্ত্য নেমে এলো ট্রেন থেকে। ভালমন্দের দোলাচলে তার মনও তখন ভীষণ অশান্ত, বিধ্বস্ত। বার বার মনে পড়ছে ট্রেন থেকে নামার আগের ওর মায়ের ফ্যালফ্যাল চোখে মাথা নাড়ানোটা।


মানুষের মন মনে হয় খুব বিচিত্র, না হলে একটা চিনচিনে ব্যথার মাঝেও, মনে একটা শান্তি বিরাজ করছে কেন তার...


স্টেশনের একেবারে শেষ প্রান্তে চলে এসে রাস্তার ধারে, হঠাৎই একটা দৃশ্য চোখে পড়লো তার। পায়ে চলা পথটা থেকে একটু দূরে একটা খুব ছোট ছেলেকে তার মা অতি যত্ন করে খাইয়ে দিচ্ছে....স্নেহের পরশ ঝরে পড়ছে মায়ের চোখ থেকে। দেখেই মনে হচ্ছে ফুটপাতেই থাকে তারা।

 

ফেলে আসা সব দিন গুলো মাথায় হঠাৎ করেই যেন এক নিমিষে ঝড়ের মতো ফিরে এলো তার।


অনেক ছোট বয়সে তার বাবা মারা গেছে। তারপর থেকে তার মা, অনেক কষ্ট করে তাকে আর তার দিদিকে একটি আশ্রমে ভর্তি করে। নিজেও সেই আশ্রমেই থাকা বিধবা মায়েদের আশ্রমে দীর্ঘদিন কাজ করে, তাদের দেখাশোনা করেছে। দিদির বিয়ে দিয়েছে...দিদি যদিও মা'কে এখন আর দেখে না, মার খবর টুকুও নেয় না। সে তার সংসার আর ছেলে নিয়েই ব্যস্ত।


মা ছোট বেলায় তাদের সকল ইচ্ছা সাধ্যমত পূরণ করেছে। আশ্রমে শনিবার কিংবা রবিবার মা তাদের দু'জনকেই পছন্দের খাবার এনে নিজের হাতে যত্ন করে খাইয়ে দিত...যত্ন করে স্নান করিয়ে চুল আঁচড়ে দিত। কতদিন কোলে শুইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিত। সব কিছু যেন এক লহমায় দেখতে পাই সে।


তারপর সে যখন অষ্টম শ্ৰেণীতে পড়ে তখন তার মা'র মাথায় প্রথম প্রবলেম দেখা দিলো। কি কারণে এমনটা হলো তার জানা নেই...তবে এক সময় আশ্রম কতৃপক্ষ থেকে তাকে ডেকে তার মায়ের জমানো টাকা পয়সা, সোনার কিছু গহনা তার হাতে দিয়ে, ব্যাঙ্কের বই টা হাতে ধরিয়ে তাদেরকে বহিঃস্কার করলো আশ্রম থেকে। মার যা টাকা ছিল সবটাই অচিন্ত‍্য‍র নামে করা আছে দেখতে পেলো। বাবা বেঁচে থাকতেই তার নামে করে দিয়ে গিয়েছিলেন। মা কখনো সে টাকাতে হাত দেয়নি। বেশ ভালোই টাকা রেখে গিয়েছিলেন বাবা তার নামে। আজও অচিন্ত্য সেই টাকার কানা কড়িও ছুঁয়ে দেখেনি। তবে মা খুব কষ্ট করে মানুষ করেছে তাকে। এই সব কথা ভাবতে ভাবতে দৌড় দিলো সে মা এর কাছে। স্টেশনে এসে দেখে ট্রেন এর সিগন্যাল হয়ে গেছে। চোখ ভরা জল নিয়ে ফোঁপাতে ফোঁপাতে প্রাণপনে ছুটতে শুরু করলো সেই নির্দিষ্ট কামড়ার দিকে....


ট্রেনে ছেড়ে দিয়েছে, বেশ গতিও নিয়ে নিয়েছে ট্রেন। কোনো মতে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে লাফিয়ে উঠে পড়লো সেই কামড়াতে। ভিড় ঠেলে কোনো মতে পৌঁছালো মা এর কাছে। দেখে পাশের জায়গাটা ফাঁকাই আছে। মা আনমনে বাবু বাবু করছে আর জানালার দিকে মুখ বের করে অচিন্ত‍্য‍কে খুঁজে চলেছে...


কাছে এসে আচমকায় জড়িয়ে ধরে মাকে। হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলে...মাও কিছু না বুঝেই তাকে জড়িয়ে ধরে বলে--"কোথায় চলে গিয়েছিলি বাবু?"


অচিন্ত্য কোনো কথা বলে না। পরের স্টেশনে নেমে পড়ে মাকে নিয়ে। স্টেশনের একটা বেঞ্চে মাকে বসিয়ে মা'র কোলে মাথাটা রেখে সে নীরবে কাঁদতে থাকে...


হঠাৎ শোনে মা কি সব বিড়বিড় করে বলছে, আর  তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে।


এবার সে মা'র বিড়বিড় কথা গুলো শুনতে থাকে মন দিয়ে... যা এর আগে তার কখনো শোনা হয়ে ওঠেনি।

মা পুরোনো দিনের কথা, তার ছোটবেলার কথা, মা'র নিজের যৌবন বেলার কথা, বাবার কথা, বাবাকে দেওয়া মা'র প্রতিজ্ঞার কথাগুলো আওড়াতে থাকে।


এ সব শুনে অচিন্ত‍্য‍ মাকে আরো চেপে জাপ্টে ধরে। মনে মনে ঠিক করে, যা টাকা আছে সব সে এখন তুলতে পারবে। কারণ সে অনেকদিন আগেই আঠেরো পেরিয়ে গিয়েছে।


সব টাকা দিয়ে নিজের একটা বাড়ি করবে, যাতে কেউ আর তাদের বাড়ি ছেড়ে দিতে না বলতে পারে। আরো নানা ধরণের চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে তার।


অনেকটা সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর একটা হাওড়া গামী ট্রেনে চেপে তারা আবার তাদের নতুন ঘরে ফেরে। সারাদিন দু'জনে মিলে জিনিসপত্র গোছগাছ করে। দুপুরেও তেমন করে কিছু খাওয়া না হওয়ায় শরীরটাও ক্লান্ত লাগে। রাতের খাবার বাড়িতে না করে পাশের দোকান থেকে রুটি তড়কা কিনে এনে দু'জন মিলে খেয়ে শুয়ে পড়ে। সেদিন মাকে সারা রাত জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে থাকে অচিন্ত‍্য‍।


পরের দিন সকালে উঠে রান্না করে মাকে খাইয়ে বেরিয়ে পরে সে পৃথার কাছে। পৃথা তার প্রেমিকা। অনেক দিনের সম্পর্ক তাদের। সে তার মায়ের কথা সব জেনেও তাকে ভালোবাসে।


অচিন্ত‍্য‍ পৃথাকে সবটা বলে। গত তিনদিনের সব ঘটনা, তার বাড়ি তৈরি করার ভবিষ্যত প্লান সব..সব কিছু।


পৃথা তার কথা কে সমর্থন করে, আর বলে মা'কে এক্ষুনি একটা ভালো ডাক্তার দেখাতে।


পৃথাও খুবই গরিব পরিবারে মেয়ে কিন্তু শিক্ষিত ভদ্র।

দুই পক্ষ তাদের ভালোবাসার কথা জানে। 

অচিন্ত‍্য‍ অজান্তেই বলে ফেলে "চলো না, এবার না হয় বিয়েটা করে ফেলি আমরা। আর তুমি কাছে থাকলে মাকে আর একা থাকতে হবেনা। আমিও কাজে মন দিতে পারবো। একটা ভরসা পাবো মনে। আর এখন বুঝতে পারছি মায়ের সাথে কাউকে একটা সব সময় থাকা দরকার...মা হয়তো সঙ্গ চায়।"


"আর তাছাড়া, মা কিন্তু তোমাকে মেয়ের মতো ভালোবাসে। তুমি ঘরে থাকলে মা একেবারে শান্ত থাকে। আমি এটা খুব কাছ থেকে লক্ষ্য করেছি...অনেকদিন দেখেছি।"


"তুমি কি পারো না আমার মাকে সুস্থ করে তুলতে? 

প্লিজ পৃথা আর না করো না। আমিও তোমার মত একজনকে আমার পাশে চাই সবসময়। তুমি আজকেই বাড়িতে কথা বলো। তাঁরা রাজি থাকলে আমরা না হয় মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করবো। তোমাদের বাড়ি থেকে কিছু দিতে হবে না। আমার কিছু লাগবে না। আমি শুধু তোমাকে এবার আমার পাশে চাইছি।"


এক নিঃশ্বাসে এত গুলো কথা বলে অচিন্ত‍্য‍ থামে।


পৃথা একটুক্ষণ চুপ করে থেকে বলে--"হাত যখন ধরেছি আমি তোমার, হাত আমি ছাড়বো না অচিন্ত‍্য‍। শুধু দু'চারদিন সময় দাও আমাকে। আর একটা কথা, একটু বড় ঘর দেখো, দুটো বেড রুম থাকবে এমন। ছোট্ট একটা সংসার পাতবো আমরা। তুমি চিন্তা করো না, সব ঠিক হয়ে যাবে দেখো। তোমার মা আমার নিজের মায়ের মতো। আমি ঠিক তাঁকে সুস্থ করে তুলবোই...তুমি দেখো।"


বছর তিনেক পরে...


অচিন্ত‍্য‍ কাজ থেকে ফিরলো। ঘরে ঢুকে দেখে তার মা, তাদের মাস তিনেকের নতুন সদস্য কে কোলের উপর নিয়ে খুব আদর করে তার সাথে খেলা করছে...

মা এখন সম্পূর্ণ সুস্থ...

পৃথা ভীতর থেকে বলে উঠলো "মা ওষুধ টা খেয়ে একটু মুড়ি খেয়ে নাও....অনেক বেলা হলো"....

পর্যালোচনা


আপনার রেটিং

blank-star-rating

বামদিকের মেনু