উলট পুরাণ
কর্মব্যস্ত জীবনে তিন্নির মা-বাবা তাদের একমাত্র মেয়ের জন্য বিশেষ সময় করে উঠতে পারে না। ছোট্ট তিন্নির সমস্ত শখ-আহ্লাদপূরণ করে ওর সান্তাক্লজ দাদান।তিন্নির বাবা-মা যখন বড়দিনের পার্টিতে ব্যস্ত তখন তিন্নির দাদান রাত জেগে সাত বছরের তিন্নির বেড রুমটাকে স্বপ্নের মতো সাজিয়ে তোলেন আর সান্তাক্লস হয়ে মোজায় নাতনির মনের মতো জিনিস পুরে দেন।পরদিন সকালে মনের সবচেয়ে কাছের মানুষের মুখের ঝলমলে হাসি দেখার প্রতীক্ষায় থাকেন।
সাত বছর পরে অ্যালজাইমার্স পেশেন্ট মনোময়বাবু মাঝে মাঝেই স্মৃতিহারা হয়ে শৈশবে পাড়ি দেন। বড়দিনের রাতে ডায়বেটিক শিশু মনোময়ের আবদার মেটাতে কিশোরী তিন্নি মধু দিয়ে বানানো কেক হাতে আজ সান্তাক্লসের ভূমিকায়।দিনবদলের খেলায় সংসারে চলে প্রতিনিয়ত এক উলট পুরাণের খেলা।
