Dita Basu - (13 December 2025)বেশ সহজ সরল লেখা। দুর্গা (বানান ) পূজার সময় সত্যি মা বাবার কাছেই প্রথম যেতে ইচ্ছে করে। আর দুটো তিনটে ? বা ! দেবার দরকার নেই। পাঠকেই অবাক হতে দিন না। আরো লেখা চাই।
00
শতাব্দী চক্রবর্তী - (27 September 2022)পড়তে পড়তে আমিও যেন ছুটলাম আপনার সাথে আমার ছোটবেলায়। না আমাদের পারিবারিক পুজো হয় না আমরা ছোট থেকেই যেতাম মামার বাড়িতে। যেখানে পুরো গ্রামের একটিই পুজো। তখন ও তো গ্রামে স্মার্ট ফোন পৌঁছায়নি তাই মামা মাসির ছেলে মেয়েদের সাথে আড্ডাটা হত দারুণ। বাঙালির উৎসব। আর আপনার বাপের বাড়ি না যেতে পারার জন্য মন খারাপ সঙ্গত কিন্তু ছুটি অল্পে দু দিক হবে কি করে। বাবা মা তো আসেই। তবে শাড়ির বদলে মেখলা, রেপার দারুণ আইডিয়া। এখনকার শ্বশুর মশাই, শাশুড়ি মায়েরা বোঝেন এটুকু ছাড় দিতেই হবে। শ্বশুর বানানটা, হায়দ্রাবাদ টা ঠিক করে নেবেন।
ডাঃ পরমেশ ঘোষ - (08 September 2022)• মাত্র ৮৪৫ শব্দের গল্পে হায়দ্রাবাদের বাঙালীর পুজোর আবেগে দমদম আর বর্দ্ধমানে ছুটে আসার গল্পটা পড়ে পাঠকের মনে হবে পাঠক নিজেই পুজোর আবেগে দেশে ফিরে আসছে। তবে বিদেশেও অনেক পুজো হচ্ছে আজকাল, হায়দ্রাবাদেতো বটেই।
• লেখার কয়েকটি ত্রুটি সশোধন ক’রলে ভালো শোনায়:
1. হায়েদ্রাবাদ >> হায়দ্রাবাদ
2. শশুর >> শ্বশুর
3. ব্যায় >> ব্যয়
11
Pradip Deb - (07 September 2022)খুব সুন্দর লাগলো প্রবাসী দেয় কথা দুর্গাপূজা বাঙালির মনে একটা মিষ্টি আবেগ লেখিকা সুন্দর ভাবে বলেছেন শুধু যারা দেশে যেতে পারে না তাদের কষ্টের কথা মনের গভীরে শূন্যতা আনে বিশেষ করে বিজয়ার দিন